বই লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বর্তমানে আউটসোর্সিং বেশ জনপ্রিয় তরুণদের মধ্যে। আউটসোর্সিং এর কাজ করতে বেশ কিছু বিষয় জানা জরুরী। আউটসোর্সিংয়ের এমন সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে "আউটসোর্সিং: শুরুটা যেভাবে এবং শুরু করার পর" বইটি। বইটি লিখেছেন মো. আমিনুর রহমান। ১৯ অধ্যায়ের বইটিতে পূর্ণাঙ্গভাবে আউটসোর্সিংয়ের বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। রয়েছে প্রয়োজনীয় ছবি। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৩-তে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।

ঘরে বসে বইটি পেতে: http://www.rokomari.com/book/61910


বইটি সম্পর্কে লেখকের বক্তব্য:
গত বছরের শুরুতে ‘আউটসোর্সিং: শুরুটা যেভাবে’ শিরোনামে আমার এই লেখাগুলো প্রথম আলোর কম্পিউটার প্রতিদিন বিভাগে ধারাবাহিক ভাবে ছাপা হয়েছিল। তখন বিপুল পরিমাণ পাঠকের সাড়া পেয়েছিলাম। অনেক পাঠক অনুরোধ করেছিল লেখাগুলো বই আকারে বের করার জন্য। কিন্তু সময় স্বল্পতার জন্য তখন আর বই বের করা হলো না। তারপর থেকেই প্রস্তুতি শুরু। তার সাথে নতুন আরও অনেক কিছু যোগ করে এবং আরও বিস্তারিত ভাবে এই বইটি লেখার চেষ্টা করেছি। এই বইটি পড়ে জানতে পারবেন আউটসোর্সিং শুরু করতে হবে কীভাবে, কোথায় কাজ পাওয়া যাবে, কোন কাজের কী যোগ্যতা লাগে, কীভাবে ওডেস্কে অ্যাকাউন্ট খুলবেন, কীভাবে জবে আবেদন করবেন, ইন্টারভিউ হয় কীভাবে, অর্থ উত্তোলন করবেন কীভাবে, কীভাবে কোম্পানি দিবেন, কোম্পানির পেমেন্ট মেথড ভেরিফাই করবেন, কনট্রাকটরকে হায়ার করবেন কীভাবে, কনট্রাকটরকে পেমেন্ট দিবেন কোথায় থেকে, সমস্যার সমাধান পাবেন কোথায়, সহজে কাজ পাওয়ার কিছু টিপস, ফ্রিল্যান্সিং সাইট চিনবার উপায় এবং কয়েকজন ফ্রিল্যান্সারের সফলতার গল্প।

বইটির ভূমিকায় লেখক বলেন:
আউটসোর্সিং শব্দটি হয়তো শুনেছেন। আউটসোর্সিং করে অনেকে লাখ লাখ টাকা আয় করে এ কথাও হয়তো শুনেছেন। কিন্তু বিষয়টি কী, কীভাবে, কী করতে হয় এসব কিছুই জানেন না। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ কারও কাছে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ভাই, আউটসোর্সিং কী জিনিস? এর মাধ্যমে নাকি মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করা যায়?’ আপনার সে ভাই উত্তর দিলেন, ‘কেউ কেউ এর চেয়েও বেশি ইনকাম করেন। আপনি কম্পিউটারের কী কী জানেন?’ আপনি উত্তর দিলেন, ‘আমি তেমন কিছুই জানি না। এমএস ওয়ার্ড জানি, ফেসবুকে আমার একটা অ্যাকাউন্ট আছে, কম্পিউটারের প্রাথমিক জ্ঞান আছে এই আর কি?’ আপনার সে ভাই জানালেন, ‘আপনি কি মনে করেছেন ডলার ইনকাম করা এতোই সোজা? এখানে সারা বিশ্বের প্রোগ্রামারদের সাথে কম্পিটিশন দিয়ে জবে বিড করে কাজ পেতে হয়। আপনি যতটা সহজ ভাবছেন ততটা সহজ না।’ এ কথা শুনে আউটসোর্সিংয়ের প্রতি আপনার আগ্রহই নষ্ট হয়ে গেল, স্বপ্নটাও মরে গেল। আপনার ওই ভাই যদিও সত্যি কথাই বলেছেন তবু আপনার প্রশ্নের উত্তর এমনও হতে পারত, ‘আপনি কোনো আউটসোর্সিং সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে দেখতে পারেন। ওখানে ফেসবুকের বেশ কিছু কাজ পাওয়া যায়। যেমন ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া, ফেসবুকের ফ্যান পেইজে লাইক সংগ্রহ করে দেওয়া, ডেটা এন্ট্রিরও অনেক কাজ আছে। আপনি অল্প রেটে আবেদন করলে সহজেই কাজ পেয়ে যেতে পারেন। আপনি হয়তো শুরুতে বেশি ইনকাম করতে পারবেন না, তবে চেষ্টা চালিয়ে গেলে ধীরে ধীরে আপনার ইনকাম বাড়বে। তখন আপনি নিজেই বুঝে যাবেন কীভাবে, কী করতে হবে?’ এ ধরনের উত্তর শুনে আপনি অনেক উৎসাহিত হবেন।

এই বইয়ে আমি যতটুকু সম্ভব আউটসোর্সিং বিষয়টিকে সহজভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। বইটি পড়ে যদি পাঠকেরা উপকৃত হয় তাহলেই আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।

সূচিপত্র 
আউটসোর্সিং
যে ধরনের কাজ পাওয়া যায়
কোন কাজের কী যোগ্যতা?
কাজ পাবেন যেখানে
কীভাবে ওডেস্কে অ্যাকাউন্ট খুলবেন?
কীভাবে জব খুঁজবেন?
কীভাবে জবে আবেদন করবেন?
ইন্টারভিউ নেয় কীভাবে?
কীভাবে জব করবেন?
কীভাবে অর্থ উত্তোলন করবেন?
ওডেস্কে কোম্পানি দেবেন কীভাবে?
কীভাবে কোম্পানির পেমেন্ট মেথড ভেরিফাই করবেন?
কীভাবে জব পোস্ট করবেন?
কনট্রাকটরকে হায়ার করবেন যেভাবে
কনট্রাকটরকে পেমেন্ট দেবেন কোথা থেকে?
সমস্যার সমাধান পাবেন যেখানে
সহজে কাজ পাওয়ার কিছু টিপস
ফ্রিল্যান্সিং সাইট চেনার উপায়
সফলতার গল্প

লেখক পরিচিতি 
মো. আমিনুর রহমান। লেখাপড়া করেছেন সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বর্ষে পড়ার সময় থেকেই প্রথম আলোর কম্পিউটার প্রতিদিন বিভাগে লেখালেখি শুরু করেন, চলছে এখনো। তৃতীয়বর্ষে পড়ার সময় ডাক্তারদের জন্য তৈরি করেন ডক্টর প্রেসক্রিপশন নামের একটি সফ্টওয়্যার। সেটি নিয়ে ১৮-০৭-২০০৮ তারিখ প্রথম আলোর প্রজন্ম ডটকমে এবং ২১-০৭-২০০৮ তারিখ দৈনিক ইনকিলাবে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কয়েকজন ডাক্তার এখনো এই সফ্টওয়্যারটি ব্যবহার করছেন। চতুর্থবর্ষে পড়ার সময় তৈরি করেন এসএমএসে টিকেট কাটার সফ্টওয়্যার। ২৩-১০-২০০৯ তারিখ প্রথম আলোর প্রজন্ম ডটকমে সেটি নিয়েও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তার মাস ছয়েক পর মোবাইল কোম্পানিগুলো এই ধরনের একটি সফ্টওয়্যার তৈরি করে ট্রেনের টিকেট কাটার জন্য ব্যবহার করেন।

গত বছরের শুরুতে ‘আউটসোর্সিং: শুরুটা যেভাবে’ শিরোনামে লেখকের এই লেখাগুলো প্রথম আলোর কম্পিউটার প্রতিদিন বিভাগে ধারাবাহিক ভাবে ছাপা হয়েছিল। অনেকটা শখের বসেই লেখালেখি করেন। পেশা তাঁর আউটসোর্সিং। ভালোবাসেন সমরেশ মজুমদার এবং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বই পড়তে, সিনেমা দেখতে, আনিসুল হকের লেখা নাটক দেখতে এবং মুহম্মদ জাফর ইকবালের লেখা কলাম পড়তে।



গত একুশে বই মেলায় বাজারে এসেছে লেখক পার্থ সারথি কর-এর জুমলা শেখার বই - "নবীনদের জন্য জুমলা ভিজুয়্যাল গাইড"। বইটিতে জুমলার ব্যাকএন্ড ও ফ্রন্ট এন্ডের পরিচিতির সাথে সাথে একটি সাইট কিভাবে তৈরি করতে হবে তা বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। সহজেই বুঝার জন্য লিখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ছবি দেয়া হয়েছে। আশা করা যায় পাঠকরা এই বই পড়ে নিজেকে একজন প্রফেশনাল ওয়েবসাইট ডেভেলাপার হিসাবে প্রস্তুত করতে পারবেন। 

বইটিকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হলে লেখকের পরামর্শ হচ্ছে - প্রথমে আপনি বইয়ের প্রথম থেকে শেষ পযর্ন্ত  এক-দুবার বুঝে না বুঝে পড়ে নেবেন। তাহলে আপনি কিছু হলেও বুঝতে পারবেন যে কোথা থেকে আপনাকে শুরু করতে হবে। তারপর আপনি বই পড়ার সাথে কম্পিউটারে জুমলা ইনস্টল দিয়ে কাজ শুরু করবেন। একবার একটি সাইট করার পড়ার পড়ার আপনি আপনার পছন্দের ৪-৫ টি সাইটকে হুবহু জুমলা দিয়ে করার চেষ্টা করবেন। তাহলে আপনার প্র্যাকটিস হবে সাথে সাথে আপনার সমস্যাগুলো বের হয়ে আসবে। এবার আপনি ফ্রিল্যান্সিং মাকের্ট প্লেস গুলোতে জুমলার কাজের রিকুয়ারমেন্টস গুলো দেখে প্র্যাকটিস করুন। এভাবে আপনি একজন দক্ষ ওয়েবসাইট ডেভেলাপার হয়ে উঠতে পারেন।

বইটি প্রকাশ করেছে তাম্রলিপি প্রকাশনী। সিলেটে মালঞ্চ লাইব্রেরীতে পাওয়া যাবে ।
এছাড়াও বইটি পাওয়া যাবে http://www.rokomari.com/book/11378

নতুন প্রোগ্রামারদের জন্য সুসংবাদ। তামিম শাহ‍্‍রিয়ার সুবিন এর লেখা "কম্পিউটার প্রোগ্রামিং" বই এর ওয়েব সংস্করণ http://cpbook.subeen.com সাইটে প্রকাশিত হয়েছে। অর্থাৎ পুরো বইটি ওয়েবসাইট থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পড়া যাবে। যদিও কম্পিউটারের স্ক্রীণে বই পড়াটা উপভোগ্য নয়, তবে কেনার পূর্বে ওয়েবসাইট থেকে পড়ে বইটি সম্পর্কে পূর্ব ধারণা পাওয়া যাবে।

বইটির সূচিপত্রের লিংক: http://cpbook.subeen.com/p/blog-page.html 

বইটি সম্পর্কে জনপ্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন,
ইউনিভার্সিটিতে বা বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রোগ্রামিং শেখানো হয় কিন্তু স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরাও যে খুব সহজে প্রোগ্রামিং করতে পারে, সেটি অনেকেই জানে না। আমি অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম, স্কুলের ছেলেমেয়েদের জন্য এরকম একটি বই লিখি; কিন্তু কিছুতেই সময় করে উঠতে পারছিলাম না।

ঠিক এরকম সময় আমার ছাত্র সুবিনের এই পাণ্ডুলিপিটি আমার চোখে পড়েছে। আমি অবাক হয়ে লক্ষ করলাম, আমি যে জিনিসটি করতে চেয়েছিলাম সুবিন ঠিক সেটিই করে রেখেছে! স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েদের জন্য একটি প্রোগ্রামিংয়ের বই লিখেছে, খুব সহজ ভাষায়, খুব সুন্দর করে গুছিয়ে।
বইটি সংগ্রহ করতে হলে নিচের ঠিকানায় যোগাযোগ করতে হবেঃ

আইয়ুব সরকার (01191385551),
জামিল সারোয়ার ট্রাস্ট,
278/3 এলিফ্যান্ট রোড (চতুর্থ তলা),
কাঁটাবন (অষ্টব্যাঞ্জন রেস্টুরেন্টের বিপরীতে), ঢাকা।



অথবা
তাম্রলিপি প্রকাশনী, বাংলাবাজার, ঢাকা।



বইয়ের ফেসবুক পাতার মাধ্যমে লেখকের সাথে যোগাযোগ করা যাবে। 

এবারের একুশে বইমেলায় তাম্রলিপি প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে প্রোগ্রামিং শেখার নতুন বাংলা বই - "কম্পিউটার প্রোগ্রামিং"। বইটি লিখেছেন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতিসম্পন্ন প্রোগ্রামার - তামিম শাহ‍্‍রিয়ার সুবিন। বইটিতে অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ভাষায় প্রোগ্রামিং এর বিষয়গুলোকে উপস্থাপন করেছেন ফলে কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরাই নয়, স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরাও সহজে প্রোগ্রামিংয়ের বিষয়গুলো বুঝতে পারবে। বইতে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে 'সি' ব্যবহার করা হয়েছে। তবে লেখক বইতে 'সি' ল্যাঙ্গুয়েজ শেখানোর চেয়েও জোর দিয়েছেন প্রোগ্রামিংয়ের মৌলিক ধারনাগুলোর ওপর। পাঠককে সাথে নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন প্রোগ্রামিংয়ের নানান দিকে। বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের সাথে পর্যাপ্ত উদাহরণ এবং তার ব্যাখ্যা রয়েছে। পাশাপাশি বইটিতে পাঠকদের চিন্তা করার জন্য ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে নানান সমস্যা যা কিনা চিন্তাশীল পাঠকদের ভাল লাগবে। প্রোগ্রামিংয়ের বিষয় ছাড়াও লেখক তার অভিজ্ঞতা থেকে পাঠককে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রোগ্রামিং ক্যারিয়ার, ফ্রিল্যান্স প্রোগ্রামিং এবং বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের ব্যাপারে। বইয়ের ভূমিকায় জনপ্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বইটির ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এর সাফল্য কামনা করেন।

বইটির বিষয়বস্ত এবং এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে লেখক ফেসবুকে পাঠকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে -

১। কবে থেকে পাওয়া যাচ্ছে?
উঃ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ থেকে পাওয়া যাচ্ছে বইমেলায়। তাম্রলিপি এবং গণিত অলিম্পিয়াডের বইয়ের স্টলে।

২। বইয়ের দাম কত?
উঃ ১৮০ টাকা, তবে বইমেলাতে ২৫% কমিশন পাওয়া যাবে।

৩। বইটা কাদের জন্য লেখা?
উঃ যারা জীবনে প্রথমবারের মতো প্রোগ্রামিং শিখবে তাদের জন্য। নবম শ্রেণী ও তার উপরের ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের বইটা পড়তে কোন সমস্যা হওয়ার কথা না।

৪। ভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীদের কী বইটা পড়া দরকার?
উঃ যদি প্রোগ্রামিং ইতিমধ্যে শিখে না থাকে তাহলে পড়লে ভালো হবে। প্রোগ্রামিং জানা থাকলে এই বই পড়ার দরকার নাই। তবে আমার Teaching Style এর সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য বইটা পড়া যেতে পারে।

৫। বইতে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়েছে?
উঃ C। তবে C এর সবকিছু দেখানো হয় নাই, একটা ক্ষুদ্র অংশ দেখানো হইছে। সুতরাং C ভালোভাবে শিখতে চাইলে বইটা পড়ার পরে অবশ্যই C এর ভালো কোনো বই পড়তে হবে। আর এই বইটা পড়ার পরে PHP, Java, Python ইত্যাদি ল্যাঙ্গুয়েজের বই পড়া যেতে পারে যদি বেশি C শেখার দরকার / ইচ্ছা না থাকে।

৬। বইটা পড়লে কি ভালো প্রোগ্রামার হওয়া যাবে?
উঃ প্রশ্নই আসে না। বইটা যদি কেউ মনোযোগ দিয়ে পড়ে, উদাহরণের প্রোগ্রামগুলো বুঝে করে এবং আমি যেসব কাজ করতে বলেছি, সেসব কাজ করার চেষ্টা করে তাহলে সে প্রোগ্রামিং শেখার জন্য প্রস্তুত হবে।

৭। বইটা আমি কেন লিখলাম?
উঃ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে। গণিত অলিম্পিয়াডের ভলান্টিয়ার হবার কারণে স্কুল-কলেজের অনেক ছেলেমেয়ের সাথে আমার পরিচয় আছে এবং তারা প্রায়ই আমার কাছে জানতে চায় যে প্রোগ্রামিং শেখার জন্য কোন বই পড়বে? তাদের জন্যই বইটা লেখা। তবে ভার্সিটিতেও অনেককে আমি দেখেছি, প্রোগ্রামিংয়ের ইংরেজি বই পড়তে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না, তাই প্রথম বর্ষে প্রোগ্রামিংয়ে পিছিয়ে পড়ে এবং সেই দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ পায় না। আমি নিশ্চিত যে তারা যদি কোন বাংলা বই দিয়ে শুরু করতো তবে better প্রোগ্রামার হতে পারতো। তবে একসময় না একসময় ইংরেজি বইগুলো পড়াই লাগবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে আমার বাবা-মাকে খুশি করা। আমি এমনিতে তাঁদের কোন কথা মেনে চলি না, নিজের খেয়ালখুশিমতো চলি। তাই তাঁদেরকে খুশি করার এমন সহজ একটা সুযোগ হাতছাড়া করলাম না।

৮। বইতে আসলে কী আছে?
উঃ বইয়ের অধ্যায়গুলোর নাম বললে আশা করি বিষয়টা বোঝা যাবে:

অধ্যায় ০ – শুরুর আগে
অধ্যায় ১ – প্রথম প্রোগ্রাম
অধ্যায় ২ – ডাটা টাইপ, ইনপুট ও আউটপুট
অধ্যায় ৩ – কন্ডিশনাল লজিক
অধ্যায় ৪ – লুপ (Loop)
অধ্যায় ৫ – একটুখানি গণিত
অধ্যায় ৬ – অ্যারে
অধ্যায় ৭ – ফাংশন
অধ্যায় ৮ – বাইনারি সার্চ
অধ্যায় ৯ – স্ট্রিং
অধ্যায় ১০ – মৌলিক সংখ্যা
অধ্যায় ১১ – আবারও অ্যারে
অধ্যায় ১২ – বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
অধ্যায় ১৩ – কিছু প্রোগ্রামিং সমস্যা
অধ্যায় ১৪ – শেষের শুরু


সর্বশেষ তথ্য (১৩/৮/২০১১):
  • বইটির প্রথম ৪টি অধ্যায় এই লিংক থেকে ডাউনলোড করে পড়া যাবে।
  • বই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করা হয়েছে।
  • বইটি ঢাকায় কাঁটাবনে বিডিওএসএন অফিসে পাওয়া যাচ্ছে (আরো অনেক জায়গায় পাওয়া যাওয়ার কথা)। যোগাযোগ: আইযুব ভাই (01191385551)।
  • সম্পূর্ণ বইটি লেখকের ওয়েবসাইটে (http://cpbook.subeen.com) সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ফলে বিনামূল্যে বইটি পড়া যাবে এই লিংক থেকে।